মঙ্গলবার | ১৬ অক্টোবর, ২০১৮
কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে দোষছে স্টলকারীরা

কাপ্তাইয়ে ফলদ বৃক্ষ প্রদর্শনী মেলা জনশুন্য, ক্রেতা নেই

প্রকাশঃ ১৮ জুলাই, ২০১৮ ১০:২৮:৫৮ | আপডেটঃ ১৫ অক্টোবর, ২০১৮ ০৪:০৭:১১  |  ১৮৭
সিএইচটি টুডে ডট কম, কাপ্তাই (রাঙামাটি)। কাপ্তাইয়ের বড়ইছড়ি এলাকায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ৩দিন ব্যাপী ফলদ বৃক্ষরোপন পক্ষ ও জাতীয় ফল প্রদর্শনী মেলা প্রতিবারের ন্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এবছরও। মেলাটি ১৭জুলাই উদ্বোধনের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। প্রদর্শনীটি ১৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

মেলায় সরজমিনে ঘুরে আগত দর্শনার্থী ও নার্সারীর মালিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবারের কৃষি মেলাটি ছিল দর্শনার্থী শুন্য, লোকজন নেই বললেই চলে। বেচা কিনা শুন্যের কোটায়। অনেক স্টল খালী পড়ে আছে কিন্তু আসেনি নার্সারীর মালিক।
প্রদর্শনীতে কোন দর্শনাথী নেই, বহু স্টল খালি পরে আছে। যা কয়টি আছে তাতেও ক্রয়-বিক্রয় নেই বলেই চলে। বুধবার দুপুরে কথা হয় দর্শনার্থী মো. ফারুকু জামাল ও কলেজ শিক্ষার্থী নুর ইসলামের সাথে। তারা জানান, আমরা এ ধরনের সাধামাঠা মেলা আর কখনও দেখি নেই। মেলাতে কিছুই নেই। তারা প্রত্যেকে কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের এ ধরনের আয়োজনকে নিয়ে হতাশ প্রকাশ করেন।

হাটহাজারী ফতেয়াবাদ নার্সারী মালিক আব্দুল কাদের বলেন, যে টাকা দিয়ে গাড়ি ভাড়া করে মনভরা আশা নিয়ে এসেছি প্রদর্শনীতে, সে টাকা তো উঠেই নেই বাকি মালামাল আবার নিয়ে যেতে বাড়ি থেকে টাকা এনে বাড়িতে ফিরতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আজকে আমাদের এই অবস্থা হয়েছে। তারা ঠিক ভাবে মাইকিং এবং লিফলেট বিতরণ সহ যাবতীয় প্রচার প্রচারণা না করায় ব্যবসায়ীরা মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে।
মুন্না-মুন্নি হটি কালসার নার্সারী মালিক মোঃ ইউনুস, ইদ্রিছ এরা জানান, মেলায় লোকজনের মোটেও আসছে না। বিক্রয়ের অভাবে আমাদের মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকতে হচ্ছে। ভাতের পয়সা পর্যন্ত উঠে নেই। তার জানান, পূর্বে আমরা এ ধরনের সাদামাঠা জনশুন্য মেলা আর দেখি নেই বলেই তিনি হতাশ প্রকাশ করেন।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ রুহুল আমিন জানান, প্রদর্শনী লোক খুব কম হয়েছে। তিনি নিজেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন । মেলাটিতে আরো ব্যাপক প্রচার প্রচারণা ও সকলের অংশগ্রহণের প্রয়োজন ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে উপজেলা কৃষি অফিসার সামসুল আলম চৌধুরী এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা তথ্য অফিস দিয়ে যতটুকু পেরেছি মাইকিং করেছি। ১২শত টাকা তৈল খরচও দিয়েছি। তিনি জানান, ১৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩টি আসছে বাকি গুলো শুন্য পড়ে আছে। তবে বিক্রেতা ও দর্শনার্থী কেন মেলায় আসছেনা এ ব্যাপারে তিনি কোন সঠিক জবাব পাওয়া যায়নি।

পরিবেশ |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions