বৃহস্পতিবার | ১৩ অগাস্ট, ২০২০

১৪৪ ধারা অমান্য করে বাঘাইছড়িতে আবারো ঘেরা বেড়া ভাংচুর করে জায়গা দখলে চেষ্টা

প্রকাশঃ ১০ জুলাই, ২০২০ ০৩:৪২:৫৩ | আপডেটঃ ১৩ অগাস্ট, ২০২০ ০১:৪৬:২৮  |  ৮৮০
সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। বাঘাইছড়িতে আদালত কর্তৃক জারি করা ১৪৪ধারা অমান্য করে আবারো সাংবাদিক পরিবারের জায়গা দখলের চেষ্টা চালিয়ে মোমিন গং রা। শুক্রবার সবাই যখর মসজিদে নামায পড়তে যায় তখন মোমিনুল হকের কনিষ্ঠ ছেলে কামরুল হাসান সোহাগ দা দিয়ে কুপিয়ে বেড়া ঘেরা খোলে ফেলার চেষ্টা করে এবং ঘেরা দিয়ে কয়েকটি টিন খোলে ফেলে।  জায়গাটির অবস্থান জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলা সদরের টৌমুহনীতে। স্থানীয়রা বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, যমুনা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি ও রাঙামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ ফজলুর রহমান রাজনের বাবার নামে রেকর্ডীয় তাদের পিতৃসম্পত্তির জায়গাটি দখলে নিতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছে স্থানীয় কতিপয় দখলবাজ।  রাজনের বড়ভাই জাকির হোসেন গং নামে স্থাপন করা সাইন বোর্ডটি তুলে নিয়ে ৩০জুন বুধবার বিকালে জায়গাটি দখল করার চেষ্টা চালান, স্থানীয় মোমিনুল ইসলামের স্ত্রী হাজেরা খাতুন, তার ছেলে কামরুল হাসান সোহাগ ও তাদের সহযোগী মিলন ধরের ছেলে সঞ্জয় ধর। সর্বশেষ তাদের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা করেছিলেন, রাজনের বড়ভাই মো. জাকির হোসেন।

জাকির হোসেন বলেন, ১৯৯৬ সালে আমার বাবা ২৮ শতক জায়গা কিনে রেকর্ডভূক্ত করেছিলেন। ১৯৯৭ সালে সাবেক  ইউপি সেক্রেটারি মোমিনুল ইসলামের স্ত্রী হাজেরা খাতুনের নামে  ৭ দশমিক ৫শতক জায়গা বিক্রি করে দেন বাবা। সেই জায়গার চৌহাদ্দিমূলে দীর্ঘ ২২-২৩ বছর যাবৎ হাজেরা খাতুন বসবাস করে আসছেন। আমার বাবা থেকে হাজেরা খাতুনের কেনা ও তার ভোগ দখলীয় জায়গার বিবিধ (মামলা নম্বর- ১৭৯(ডি) ২০১৭-২০১৮(৩৭৮) মৌজা আদালত মূলে জেলা প্রশাসকের ২৯-৩-২০১৮ তারিখে অনুমোদনক্রমে ৪০৮/৬০০ নম্বর হোল্ডিং হতে রেজিষ্টেরি (যা বর্তমানে বসত বাড়ি ও গাছ লাগিয়ে বসবাস করছেন) করেন। তাদের রেজিষ্ট্রিকৃত জায়গার সামনে মালিকের  বাকি খালি জায়গা ২০১৮ সালের ২৮ অক্টোবর আমাদের রেকর্ডীয় জায়গাটি পিকনিকের নাম করে দখল করে হাজেরা খাতুনের ছেলে কামরুল হাসান সোহাগ ও মিলন ধরের ছেলে সঞ্জয় ধর। এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় জায়গা দখল নিলেও এবছরের গত ২৯ জুন আমরা আমাদের রেকর্ডীয় জায়গায় ঘেরা বেড়া দিয়ে কাজ করতে গেলে হাজেরা খাতুন গং আমাদের গায়ে মরিচের পানি ঢেলে দেন এবং ধারালো ছুরি নিয়ে  হামলার চেষ্টা করেন।

হাজেরা বেগম ও মোমিনুল হক নিজেরা গত ২৪ তারিখ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে স্থিতিবস্থা চেয়ে আবেদন করে, আদালত থেকে সেটি ২৯ জুন সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়, কিন্তু ১লা জুলাই বিকালে তারা নিজেরাই আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে সাইন বোর্ড ফেলে দেয় এবং ঘেরা বেড়া ভাংচুরের চেষ্টা চালায়, একইভাবে আজ শুক্রবার  ১০ জুলাই তারা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঘেরা বেড়া ভাংচুর চালায়।

বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমএ মঞ্জুর বলেন, জায়গাটি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে সমস্যা রয়েছে, আইন অমান্য করে ঘেরা বেড়া ভাঙ্গার অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনাস্থলে পুলিশ গেছে।


রাঙামাটি |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions