মঙ্গলবার | ১৯ নভেম্বর, ২০১৯
শান্তি চুক্তি অনুযায়ী পাহাড়ে

প্রত্যাহারকৃত সেনা ক্যাম্প এর স্থলে প্রয়োজনে বিজিবি ও পুলিশ বাড়ানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিওসহ)

প্রকাশঃ ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:২৪:৫৪ | আপডেটঃ ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০১:৪৬:৩৬  |  ১৪৮১
সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, শান্তি চুক্তিকে ফলো করে আমরা পাহাড়ে শান্তি নিয়ে আসব, শান্তি চুক্তির দাবি অনুযায়ী যেখান থেকে সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে,কিন্তু প্রয়োজনবোধে সেখানে বিজিবি ও পুলিশ বাহিনী থাকবে শান্তির জন্য। সেনাবাহিনীর ক্যাম্পগুলো চলে গেছে বলে সেখানে শান্তি শৃঙ্খলা থাকবে না, এমন চিন্তাই করবেন না,সে জায়গায় না হয় তার আশেপাশে আমরা পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করে দেব যাতে করে র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি কাজ করতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, পাহাড়ে যারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করছে তারা যদি ভুল বুঝে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চায় তাহলে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা  তার নির্দেশনা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার সন্ধ্যায় রাঙামাটির জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে তিন পাবর্ত্য  জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সভা শেষে  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একথা বলেন। সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এই সভা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কোন সন্ত্রাসীর আস্তানা গড়তে দেওয়া হবে না। বাংলাদেশে কোন সন্ত্রাসী কোন জঙ্গিদের থাকতে দেওয়া হবে না। পার্বত্য চট্টগ্রামেও কোন খুন, সন্ত্রাস, জঙ্গি, চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না।

এসময় তিনি আরো বলেন, পাহাড়ে হঠাৎ করে রক্তপাত শুরু হয়েছে। নির্বিঘেœ নির্বিচারে কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে খুন করা হয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তাদের খুন করা হয়েছে। এর কারণে পাহাড়ে শান্তি বিনষ্ট হতে যাচ্ছিল। এ রক্তাপাত বন্ধ করতে সরকার বদ্ধ পরিকর।
 
তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, চাঁদাবাজ দমন, মাদক নিমুল করতে ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত এলাকায় সড়ক যোগাযোগ উন্নত করা হবে। এতে করে নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত সীমান্ত এলাকায় যেতে পারবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য জলযান, সড়কযান, আকাশযান দেওয়া হবে।  পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করনীয় তা করা হবে।



সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উ শৈ শিং এমপি, রাঙামাটি আসনের এমপি দীপংকর তালুকদার,   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের সচিব কামাল উদ্দিন আহমদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব মেসবাহুল ইসলাম, র‌্যাবের মহা পরিচালক বেনজির আহমদ, বর্ডার গার্ড বিজিবি মহা পরিচালক সাফিনুল ইসলাম, পুলিশের মহা পরিচালক ড. মো. জাবেদ পাটোয়ারী, চট্টগ্রাম  ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এসএম মতিউর রহমান, বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ,  চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নান, পুলিশের চট্টগ্রাম বিভাগের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশীদ, তিন রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান সেনা রিজিয়ন কমান্ডার তিন পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার, তিন পার্বত্য জেলার বিজিবি সেক্টর কমান্ডার ছাড়াও  জেলা জেলার সেনা, পুলিশ, বিজিবির অন্যান্য সিনিয়র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে দ্বিতীয় দিনের মত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।



এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions