বুধবার | ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮
নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে বিদেশী অস্ত্র ও গুলিসহ

ইউপিডিএফ নেতা আনন্দ চাকমার আত্নসমর্পন

প্রকাশঃ ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১০:২৬:০৫ | আপডেটঃ ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০১:৪৫:১৮  |  ৫৯৪
সিএইচটি টুডে ডট কম, খাগড়াছড়ি। ইউপিডিএফ এর রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর অঞ্চলের শীর্ষ নেতা  বিচার ও সাংগঠনিক পরিচালক আনন্দ চাকমা ওরফে পরিচিত একটি বিদেশী অস্ত্র ও ৩ রাউন্ড গুলিসহ নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে আত্নসমর্পন করেছেন। গত বুধবার সেনাবাহিনীর মহালছড়ি জোনে জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মোস্তাক এর এসে অস্ত্র সমর্পন করেন। আত্নসমর্পনের পর নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশ তাকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি করলে ইউপিডিএফ নেতা আনন্দ চাকমা জানান, মূলত: আঞ্চলিক দলটির চাঁদাবাজি, খুন, গুম, অপহরণসহ সাধারণ পাহাড়ি ও বাঙ্গালীদের নির্যাতনের কারণে অসন্তুষ্ট হয়ে তিনি ইউপিডিএফ ছাড়তে বাধ্য হন।

আনন্দ চাকমা সাংবাদিকদের  বলেন, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অধিকার, মর্যাদা, কৃষ্টি-কালচার, স্বকীয়তা রক্ষার জন্য ৩৬ বছর আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতিতে যোগদান করেন, কালের পরিক্রমায় তিনি বিগত ৪ বছর ধরে ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুফের নানিয়ারচর সার্কেলের বিচার ও সাংগঠনিক পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এই দীর্ঘ জীবনে সব সময় ভয় ও আতংক নিয়ে জঙ্গলে জঙ্গলে কাটালেও প্রত্যাশিত সুখ  ও শান্তি পাননি। নিজের পরিবারের সাথে সময় দিতে পারিনি, পারিবারিক কোন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করতে পারিনি।

তারপরেও পাহাড়ি জনগণের মুক্তি ও স্বাধীকার নিয়ে যে স্বপ্ন তাও পূরণ হয়নি। কারণ ইউপিডিএফ নেতারা এখন নিজেরাই শোষক, বিচারহীনতার অগ্রদুত এবং নির্যাতনকারী। তাদের কাছে আজ পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীই নিরাপদ নয়। তাই  পরিবারের সুখ শান্তি বিবেচনা করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি জানান, স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে তার মত অনেকেই উদগ্রিব। কিন্তু ইউপিডিএফ এর ভয়ে অনেকেই আত্নসমর্পনের সাহস করছেন না।

আনন্দ চাকমার বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালায়। গেলো প্রায় ৩৬ বছর ধরে গেরিলা জীবন কাটাচ্ছেন। ৪ বছর ধরে তিনি ইউপিডিএফ এর সঙ্গে জড়িত। তারও আগে জনসংহতি সমিতি ও শান্তিবাহিনীর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions