মঙ্গলবার | ২০ নভেম্বর, ২০১৮
বিলাইছড়ি

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

প্রকাশঃ ৩০ অক্টোবর, ২০১৮ ০৬:১৩:১১ | আপডেটঃ ২০ নভেম্বর, ২০১৮ ০১:৪৩:১৭  |  ১২৩
সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেছেন, বর্তমান সরকার সারা দেশের ন্যায় পার্বত্য দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি’সহ সকল বিষয়ে জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় রাঙামাটির দুর্গম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৫০ শয্যায় উন্নতি করণের কাজ শুরু করেছে। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক উপজেলাগুলোতেও এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে তিনি সভায় অবহিত করেন। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র দেওয়া প্রতিশ্রুতি শুধু প্রতিশ্রুতিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, তা তিনি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।  

মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) সকালে রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (এইচইডি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে ৩১ হতে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

বিলাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আয়োজিত আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি সিভিল সার্জন ডাঃ শহীদ তালুকদার। এ সময় রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শুভ মঙ্গল চাকমা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ ইকবাল’সহ সরকারী পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিলাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মাসুদ আহাম্মদ চৌধুরী।

সভায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, সমতল অঞ্চলের চাইতে পার্বত্য অঞ্চল শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে। অন্য জেলা থেকে এ জেলায় বড় চিকিৎসক ও কর্মকর্তা বদলি হয়ে আসলে তারা বেশীদিন থাকতে চান না। কোন না কোন কারণ দেখিয়ে তারা এখান থেকে চলে যেতে চান। তিনি আরো বলেন, আমরা যদি আমাদের সন্তানদের উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করে ভালো চিকিৎসক-কর্মকর্তা পদে অধিস্থিত করতে পারি তাহলে তারা এখানে থেকেই এই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের কল্যাণে কাজ করতে পারবে। তাই এখন থেকেই তাদের সেভাবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

পরে তিনি বিলাইছড়ি স্বাস্থ্য বিভাগের পুরাতন ভবনের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন।

উন্নয়ন খবর |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions