বৃহস্পতিবার | ২১ অক্টোবর, ২০২১
রাঙামাটিতে জেলা উন্নয়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের অনুপস্থিতির কারণে ত্বড়িৎ সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয় : অংসুইপ্রু চৌধুরী

প্রকাশঃ ২৫ জানুয়ারী, ২০২১ ০৫:৩২:২১ | আপডেটঃ ১৯ অক্টোবর, ২০২১ ০৭:৫৪:৫৬  |  ৯৪৩
সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী বলেছেন, চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব নেবার পর এটি দ্বিতীয় সভা। এ সভায় লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের অনুপস্থিতি এবং প্রতিনিধি পাঠানোর প্রবণতা। সরকারের ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়ন করতে হলে সামষ্টিক উন্নয়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। এ জেলার উন্নয়ন আমার একার পক্ষে সম্ভব নয়। সম্মিলিতভাবে করতে হবে। এক মাসে একবার জেলার সকল বিভাগ একত্রিত হবার সুযোগ হয়।  প্রতিনিধি না পাঠিয়ে বিভাগীয় প্রধানরা সভায় এলে জেলার উন্নয়নে তড়িৎ সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়। জাতীয় পর্যায়ে কোন জরুরী কর্মসূচি বা সভা না থাকলে ২৫ তারিখের জেলা উন্নয়ন সভায় উপস্থিত থাকার জন্য সকলকে আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, জেলার উন্নয়ন দৃশ্যমান করার জন্য সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, বনবিভাগ এবছর ৫০০ একর জমিতে বনায়ন করবে। তারপরের বছর যদি বনবিভাগ ১০০০ একর জমিতে বনায়ন করতে পারে সেক্ষেত্রে বনায়নে আমাদের অগ্রগতি হচ্ছে বলে ধরে নেয়া যেতে পারে। এভাবে বর্তমান অবস্থা থেকে ভবিষ্যতের লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য কর্মপরিকল্পনা সাজানো এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে। এলাকার জনগণের উন্নয়নের স্বার্থে এভাবে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সভাকক্ষে (এনেক্স ভবন) অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য নুরুল আলম বলেন, জেলার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে সকল বিভাগকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে। শুধু উন্নয়ন করলে হবে না, যুগের চাহিদার দিকে লক্ষ্য রেখে বাস্তবভিত্তিক উন্নয়ন করতে হবে। জুম চাষে এখন ভালো ফসল হয় না। ট্রাক্টরের মাধ্যমে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করতে হবে। ফসলের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে গভীর নলকূপ ব্যবহারের মাধ্যমে চাষ করতে হবে বলে তিনি সভায় পরামর্শ রাখেন।

রাঙামাটি সদর সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ বলেন, জেলায় বর্তমানে বড় ধরনের কোন অপরাধ নেই। পুলিশ জনগণের নিরাপত্তা এবং সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সদা সতর্ক রয়েছে। যেকোন অপরাধমূলক কর্মকান্ড সংঘটনে কোন তথ্য থাকলে তা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান তিনি।
    
রাঙামাটি জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাঃ আশরাফুল ইসলাম এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য নুরুল আলম, বরকল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিধান চাকমা, জুরাছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার চাকমা, রাঙামাটি পৌর মেয়র মোঃ আকবর হোসেন চৌধুরী, রাঙামাটি সদর সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ, অশ্রেণীভুক্ত বনাঞ্চল বনীকরণ বিভাগীয় কর্মকর্তা আ.ন.ম. আব্দুল ওয়াদুদ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী এ এস এম ও আর মুজিব, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী জ্যোতির্ময় চাকমা, বাংলাদেশ বেতারের সহকারী পরিচালক ইসমাইল ইমতিয়াজ, জেলা সঞ্চয় অফিসের সহকারী পরিচালক ফরহাদ বিন শামীম, টিটিসির ইন্সট্রাক্টর ছৈয়দ মাসুম রব্বানী, বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী ফাতেমা আক্তার জেনী, রাঙামাটি সরকারী মহিলা কলেজের প্রভাষক রুপক খীসা, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের লিয়াজো অফিসার মোঃ এবাদত হোসেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহকারী পরিচালক মোঃ নূরুল করিম, রাঙামাটি প্রেস ক্লাব সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক হোসনে আরা বেগম, পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের রেঞ্চ কর্মকর্তা এস এম মোশারফ হোসেন, রাঙামাটি পোষ্টাল বিভাগের সুপারিনটেনডেন্ট তাপস চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ রফিকুজ্জামান শাহ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বন কর্মকর্তা অজিত কুমার দে, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী আবু তালেব চৌধুরী, জেলা সমবায় অফিসার ইউসুফ হাসান চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ নীতিশ চাকমা, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের শান্তি বিজয় চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী ত্রয়া সরকার, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ব্যবস্থাপক সুলগ্না চাকমা, এসআইডি-সিএইচটি-ইউএনডিপির জেলা ব্যবস্থাপক ঐশ^র্য্য চাকমা, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি বিষয়ক কর্মকর্তা অর্চনা চাকমা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর এসপিও প্রহেলিকা ত্রিপুরা, আনসার ও ভিডিপি উপজেলা কর্মকর্তা মোঃ হারুন অর রশীদ, বিএফডিসির মার্কেটিং সহকারী মোঃ ইব্রাহিম খলিল, ডিএই কৃষি প্রকৌশলী দেবাশীষ চাকমা, বিআরডিবি রাঙামাটির মোঃ এনাামুল হক, জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক কৃপাময় চাকমা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল বাহার, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক বেগম সাহান ওয়াজ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিতরণ বিভাগ) নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ কান্তি মজুমদার, জেলা রভার স্কাউটস সম্পাদক নুরুল আবছার, জেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার পরিণয় চাকমা, ফায়ার সার্ভিসের আইএসও মোঃ বিল্লাল হোসেন, প্রতিবন্ধি সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের কনসালটেন্ট ডাঃ উক্রাচিং মারমা, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দোলন দেব, জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপ পরিচালক মোঃ নুরউজ্জামান, বাজার ফান্ড অফিসের প্রধান সহকারী অসিত কুমার চাকমা, পর্যটন হলিডের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়–য়া, জেলা সমাজসেবার উপপরিচালক মোঃ ওমর ফারুক, পিডব্লিউডি উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী সৌমিক তালুকদার, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয় সহকারী পরিচালক কাজী মোয়াজ্জেল হক, বিএফআরআই এর বৈজ্ঞানিক কর্তকর্তা বিএম শাহীনুর রহমান, বাংলাদেশ টিভির উপকেন্দ্র প্রধান মোঃ শরীফুল ইসলাম, জেলা সরকারী গণগ্রন্থাগারের এলও অমর বিকাশ চাকমা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক রুপক কুমার বড়–য়া, রাঙামাটি সরকারী কলেজের সহকারি অধ্যাপক শান্তনু চাকমা, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল ওয়াহাব, পিটিআই এর সুপারিটেনডেন্ট মোঃ সারওয়ার হোসেন ও ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী মোঃ হাবিবুর রহমান।

সভায় উপস্থিত বিভাগীয় কর্মকর্তাগণ স্ব স্ব বিভাগের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন।

উন্নয়ন খবর |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions