শনিবার | ২১ মে, ২০২২

খাগড়াছড়ি শহরের সেই ন্যাড়া মাঠে সবুজের চাদর মুড়িয়ে গড়ালো প্রীতির ফুটবল

প্রকাশঃ ০১ ডিসেম্বর, ২০২১ ০৯:৪২:২৮ | আপডেটঃ ২০ মে, ২০২২ ০২:৩৭:৩৮  |  ৩৯২
সিএইচটি টুডে ডট কম, খাগড়াছড়ি। যুগের পর যুগ, প্রজন্মের প্রজন্ম দেখে এসেছে খাগড়াছড়ি শহরের হাইস্কুল মাঠে ঘাস জন্মায় না। জন্মাতে চাইলে যন্ত্র আর মানব অত্যাচারে তা কোনভাবেই টিকতে পারে না। অরক্ষিত সেই মাঠে যখন যার যা খুশি করে বসেন। কারো মগজেই ভাবনা আসেনি যে, এই ন্যাড়া মাঠকেও সদিচ্ছা থাকলে সবুজের চাদরে মুড়িয়ে দেয়া যায়। সেই নিসর্গ-নান্দনিক কাজটি করে দেখিয়েছেন, খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা।

পেশায় একজন সরকারি কর্মকর্তা হলেও তিনি সৌখিন ফটোগ্রাফীতে পাকিয়েছেন হাত আর মনকে করেছেন নিসর্গ প্রেমে আসক্ত।

তাঁর নিজস্ব চিন্তা আর সদিচ্ছার কথা জেনে সহযোগিতা আর সক্রিয়তার হাত বাড়ান খাগড়াছড়ির সুযোগ্য জেলা প্রশাসক। আর্থিক প্রণোদনা নিয়ে এগিয়ে আসেন আরো কয়েকজন ঠিকাদার।

ব্যাস, শুরু হয়ে যায় হাইস্কুলের ন্যাড়া সেই মাঠে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি আর মৃত্তিকা সংবেদনের কাজ। বেশ কয়েক মাসের মাথায় গুচ্ছাকারে লাগানো ঘাসের ডগা লতিয়ে উঠতে থাকে। এটা দেখে প্রশান্তির ঢেঁকুর গিলতে থাকেন, এই মাঠের ওপর নির্ভরশীল শত শত নানা বয়সী মানুষ।
গেলো কয়েক মাসের অক্লান্ত শ্রম আর মানসিক ঔদার্য্যে হাইস্কুল মাঠটি সত্যিই সবুজের সুদৃঢ় আস্তরণে ঢেকে যায়। ঘাসের ঘনত্ব কমাতে কেনা হয় একটি ঘাস কাটার যন্ত্র যেটি জেলা প্রশাসক নিজেই অর্থায়ন করেছেন। ঘাসের উল্লস্ফন কমাতে কিছুদিন গবাদি পশুকেও ঘাস খাওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়।
শেষতক প্রায় ছয় মাসের মাথায় সত্যিই সত্যিই মাঠটি বিজ্ঞানসম্মতভাবেই খেলার উপযোগী হয়ে উঠেছে।

বুধবার শেষ বিকেলে অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাঠটিতে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে বদ্ধ মাঠের দুয়ার খোলেন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস।

প্রীতি ম্যাচে খাগড়াছড়ি ফুটবল একাডেমী ও পার্বত্য ফুটবল একাডেমী একে অপরের বিরুদ্ধে দুই-দুই গোলে ড্র করেন।

আর জেলা জেলা প্রশাসক ঘাস কাটা যন্ত্রটি হাইস্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর কওে মাঠটি সংরক্ষণে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।


স্পোর্টস |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions