মঙ্গলবার | ২৩ অক্টোবর, ২০১৮

কাপ্তাইয়ে ভিসিএফ কমুনিটিজ সুফলভোগীদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান

প্রকাশঃ ০৫ অগাস্ট, ২০১৮ ০৯:৩৬:১৯ | আপডেটঃ ২২ অক্টোবর, ২০১৮ ১০:১৪:৩৮  |  ২১০
সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। পাহাড়ের পশ্চাদপদ এলাকায় বসবাসরত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও গ্রামীণ সাধারণ বন রক্ষার্থে এসআইডি-সিএইচটি-ইউএনডিপি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর প্রকল্পের আওতায় ভিলেজ  কমন ফরেস্ট (ভিসিএফ) কমুনিটিজ এর সুফলভোগীদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

রোববার (০৫আগষ্ট) সকালে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উপস্থিত সুফলভোগীদের মাঝে নগদ এ অর্থ প্রদান করেন।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য থোয়াইচিং মং এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, ৪নং কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, ৫নং ওয়াগ্যা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান চিরঞ্জিত তংচঙ্গ্যা, ২নং রাইখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সায়ামং মারমা, ৩নং চিৎমরম  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান খাইসা মং মারমা, ভার্য্যতলী মৌজার হরিণছড়ির হেডম্যান থোয়াই অং মারমা, ইউএনডিপি জেলা ব্যবস্থাপক ঐশ্বর্য চাকমা, ইউএনডিপি’র কর্মকর্তা বিহীত বিধান খীসা, এনজিও শাইনিং হিলের নির্বাহী পরিচালক মোঃ আলী বক্তব্য রাখেন ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের সংরক্ষিত বন, ঝিরি, ঝর্ণা, নদী রক্ষার্থে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, পাহাড়ের বন উজাড় হওয়ার ফলে প্রাকৃতিক দূর্যোগের মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটছে। তিনি গত বছর ভুমি ধ্বসে ১২০জনের প্রাণহানির কথা উল্লেখ করে বলেন, আগে কখনো এ ধরনের অতি বৃষ্টি বা বন্যা হতো না। বন উজাড় হওয়ার ফলেই এধরনের ঘটনা ঘটছে। এ দুর্যোগ থেকে পরিত্রান পেতে আমাদের বনগুলোকে সংরক্ষন করতে হবে। পাশাপাশি বেশী করে বাঁশ গাছ লাগাতে হবে।
তিনি আরো বলেন, সরকার পার্বত্যবাসীর কল্যানে এ অর্থগুলো আপনাদের মাঝে প্রদান করছে। এই অর্থগুলো আপনাদের আয়বর্ধনমূলক কাজে প্রয়োগ করবেন। তিনি বলেন, বাড়ীর পাশে বা পরিত্যক্ত পাহাড়ে চাষাবাদের পাশাপাশি গবাদী পশু পালনে সরকারের এ অর্থ ব্যয় করুন দেখবেন সুফল আসবে। সরকারের এ অর্থগুলো ভালো কাজে বিনিয়োগ করে নিজেদের স্বাবলম্বী করারও পরামর্শ দেন তিনি।  

অনুষ্ঠানে কাপ্তাই উপজেলার ১১৯নং ভার্য্যতলী মৌজার ভাঙ্গামুড়া জাদিটুগ এর ১২৪টি, ১৯০নং বারুদগোলা মৌজার কিলাছড়ি ভাবনা কেন্দ্র এলাকার ২৮টি এবং শুভধন পাড়ার ২৪টি মোট ১৭৬টি পরিবারকে পরিবার পিছু নগদ ৭হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।

এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions