শনিবার | ১৮ অগাস্ট, ২০১৮

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে রাঙামাটিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশঃ ১৮ জুলাই, ২০১৮ ০৬:৪৭:৩৪ | আপডেটঃ ১৭ অগাস্ট, ২০১৮ ১০:৫৯:০০  |  ২৫৩
সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৮ উপলক্ষে  বুধবার দুপুরে শহরের জেলা মৎস্য অফিসের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সংবাদ সম্মেলন করেছে, জেলা মৎস্য বিভাগ ও বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরশেনের কাপ্তাই হ্রদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইয়াছিন। এছাড়া সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপস্থাপন করেন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) কাপ্তাই কেন্দ্রের  ব্যবস্থাপক কমান্ডার আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বিএফআরআই) রাঙামাটির নদী উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী বেলাল উদ্দিন ও মো. সরোয়ার জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
এ সময় বলা হয়, কাপ্তাই হ্রদে উৎপাদিত মাছ যায় সারা দেশে। কিন্তু নানা কারণে হ্রদে মাছের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। হ্রদের নাব্যতা হারানো, অবৈধ উপায়ে মাছ শিকার, মলমূত্র ও বর্জ্যে লেক দূষিত হওয়া এর মূল কারণ। এ তিন বিষয়ে দ্রুত করণীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে হ্রদের পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও আশঙ্কাজনক হয়ে উঠবে।
সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছের উৎপাদন আবার বাড়তে শুরু করেছে। ফলে হ্রদ থেকে মাছ আহরণে রাজস্ব আয় বেড়েছে। রাজস্ব আয়ে চলতি বছর অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। তবে প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যাহত হওয়ায় এরই মধ্যে হ্রদ থেকে বহু প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিলুপ্তির পথে আরও বহু প্রাজাতি। বিলুপ্ত প্রজাতির মাছগুলো পুনরুদ্ধারসহ যেসব প্রজাতি বিলুপ্তির পথে সেগুলো রক্ষায় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কিন্তু কাপ্তাই হ্রদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনাসহ হ্রদকে দূষণমুক্ত করা না গেলে এসব পদক্ষেপ সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে বুধবার রাঙামাটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও গবেষকরা এসব তথ্য প্রকাশ করেন।

তারা বলেন, কাপ্তাই হ্রদ কেবল বাংলাদেশের প্রধান মাছ উৎপাদন ক্ষেত্র নয়, এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ কৃত্রিম জলরাশি। কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টির ফলে মাছ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন, নৌপরিবহনসহ বিভিন্ন সুবিধা গড়ে উঠেছে। কাপ্তাই হ্রদ জাতীয় সম্পদ। এটিকে রক্ষার জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।   

অর্থনীতি |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions