সোমবার | ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
কাল শান্তি চুক্তির বর্ষপুর্তি

পাহাড়ে ২২ বছরেও ফিরেনি কাঙ্খিত শান্তি

প্রকাশঃ ০১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৮:৩০:৫৬ | আপডেটঃ ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৪:২৭:২৭  |  ৫৬১
ষ্টাফ রিপোর্টার, রাঙামাটি। পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২২তম বর্ষপূর্তি কাল সোমবার । পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাকে জাতীয় ও রাজনৈতিক হিসেবে চিহ্নিত করে এর স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে তৎকালীন জাতীয় কমিটির আহবায়ক ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীদের পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু) চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এর মধ্য দিয়ে অবসান ঘটে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ দুই দশক ধরে চলা সশস্ত্র ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের। অস্ত্র সংবরণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন পাহাড়ে আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলনরত জনসংহতি সমিতির সশস্ত্র গেরিলারা। আর এতে সবাই আশ^ান্বিত হয়েছিল পাহাড়ে ফিরবে  শান্তির বাতাবরণ।

কিন্তু পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের ২২ বছর অতিক্রান্ত হলেও পাহাড়ে এখনো শান্তি আসেনি। পাহাড়ে বিবদমান ৪টি গ্রুপের ভ্রাত্বঘাতি সংঘাত কখনো পাহাড়ী বাঙালী দাঙ্গায় প্রতিনিয়ত সবুজ পাহাড় রক্তে লাল হচ্ছে। চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে চলছে চুক্তি স্বাক্ষরকারী সংগঠন আওয়ামীলীগ এবং জনসংহতি সমিতির মধ্যে পরস্পরবিরোধী অবস্থান। চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ার জন্য চুক্তি পক্ষ জনসংহতি সমিতি সরকারকে দোষারোপ করলেও সরকারীদল বলছে চুক্তি পক্ষের অসহযোগিতার জন্য চুক্তি বাস্তবায়ন ধীরগতিতে এগুচ্ছে।

১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর আ’লীগ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে সবার ধারণা ছিল পাহাড়ে অবসান ঘটবে দীর্ঘ দুই দশকের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংঘাতের। কিন্তু সে আশাকে হতাশায় ফেলে শান্তি চুক্তির গত ২২ বছরে তিন পার্বত্য জেলায় উভয়ের মধ্যেকার সংঘর্ষে হতাহত হয়েছে বহু পাহাড়ী-বাঙ্গালী চুক্তির বিরোধীতা করে একে আপোষ চুক্তি আখ্যা দিয়ে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার নামে জন্ম নেয় ইউপিডিএফ এবং বাঙ্গালীদের অধিকার আদায়ের নামে জন্ম নেয় পার্বত্য চট্রগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলন ও বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ।

পার্বত্য চট্টগ্রামে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও প্রতিপক্ষের ওপর হামলার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। কখনো পাহাড়ী, কখনো বা বাঙালি অধিবাসীর তরতাজা প্রাণ ক্ষয়ে যাচ্ছে।

বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি, ইউপিডিএফ, জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) এবং গনতান্ত্রিক ইউপিডিএফ ২ ভাগে বিভক্ত হয়ে আধিপত্যে বিস্তারের লড়াইয়ে প্রাণহানি ঘটছে।

একসময় চারটি সংগঠনের মধ্যে অর্ন্তকলহ লেগে থাকলেও এক পর্যায়ে অস্তি¡ত্ব রক্ষায় মুল জেএসএস, ইউপিডিএফ একপ্লাট ফর্মে চলে আসে এরপর আবার দুই সংস্কার জেএসএস ও ইউপিডিএফ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আলাদা প্লাট ফর্মে মুল জেএসএস ও ইউপিডিএফের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।

শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের জেএসএস ভেঙ্গে ইউপিডিএফ হয়, আবার ২০০৮ সালে জরুরী অবস্থার সময় সন্ত লারমার নেতৃত্বাধীন  জেএসএস ভেঙ্গে জেএসএস সংস্কার নামে আরেকটি সংগঠনের জন্ম হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন তাতিন্দ্র লাল চাকমা পেলে ও সুধা সিন্ধু খীসা। এসময় চলতে থাকে ত্রিমুখী সংঘাত, ২০১৫ সন থেকে জেএসএস এবং ইউপিডিএফের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে ২০১৭ সন পর্যন্ত বন্ধ ছিল ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত। ২০১৭ সনের নভেম্বর মাসে আবার ইউপিডিএফ ভেঙ্গে নতুন ইউপিডিএফ সংস্কার নামে আরেকটি সংগঠন হয়। ইউপিডিএফ সংস্কার হওয়ার পর আবারো পাহাড়ে শুরু হয় রক্তের নির্মম হোলি খেলা। ইউপিডিএফ সংস্কার শুরুতে মুল ইউপিডিএফের গুরুত্বপুর্ণ নেতাদের হত্যাসহ জেএসএস নেতা কর্মীদের হত্যা শুরু করে।

নানিয়াচর উপজেলা উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেএসএস সংস্কারের সহ সভাপতি এডভোকেট শক্তিমান চাকমাকে ২০১৮ সনের ৩ মে দুবৃর্ত্তরা হত্যা করে, নিহত এডভোকেট শক্তিমান চাকমার দাহক্রিয়ায় যোগ দিতে ৪ মে খাগড়াছড়ি থেকে নানিয়াচর যাওয়ার পথে ইউপিডিএফ সংস্কারের প্রধান তপন জ্যোতি চাকমা ওরফে বর্মাসহ ৬জন নিহত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামে ইতিপুর্বে আঞ্চলিক দলগুলোর রেশারেশি এবং গুলিতে কেউ মারা গেলে মামলা হতো না, তবে ২০১৪ সনের সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি আওয়ামীলীগ সন্ত্রাস চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার আন্দোলন শুরু করলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরিবার মামলা করা শুরু করেছে।

তারই ধারাবাহিকতায় নানিয়াচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা ও ইউপিডিএফ সংস্কারের প্রধান তপন জ্যোতি চাকমা বর্মা নিহত হওয়ার ঘটনায় দুটি পৃথক মামলায় ইউপিডিএফের প্রধান প্রসীত খীসা থেকে শুরু করে বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের নেতা কর্মী, ইউপিডিএফ সমর্থিত জনপ্রতিনিধি এবং মুল জেএসএসের সন্তু লারমা এবং উষাতন তালুকদারকে বাদ দিয়ে বাকি কেন্দ্রীয় ও জেলা ও উপজেলা নেতাদের আসামী করা হয়েছে।

মামলার পর আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর অভিযানের মুখে অধিকাংশ নেতা কর্মী পালিয়েছেন, ঘর বাড়ি ছাড়া। এছাড়া জেএসএসের মুল চাঁদা কালেক্টর জ্ঞান শংকর চাকমাসহ বেশ কয়েকজন নেতা এর মধ্যে নিহত হয়েছেন।

একটি গোয়েন্দা সংস্থার মতে , পার্বত্য চট্টগ্রামে বিবাদমান আঞ্চলিক দলগুলোর সংঘাতে পাহাড়ে  গত ৬ বছরে খুন হয়েছেন ৩২১ জন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের অনেক পদধারী নেতাও আঞ্চলিক সংগঠনের হাতে খুন হয়েছেন।

এরমধ্যে বান্দরবান সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মং প্রু মারমা, বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুরেশ কান্তি তংচংগ্যা, বান্দরবান পৌর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি চ থোয়াই মং মারমা, বোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মং মং থোয়াই মারমা, রাজস্থরী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ক্যহ্লাচিং মারমা এবং লামা উপজেলার সড়ই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শিকদার উল্লেখযোগ্য।


এছাড়া চারটি আঞ্চলিক সংগঠন- জনসংহতি সমিতি (জেএএসএস-মূল), ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ-মূল), জেএসএস (সংস্কার) ও ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) কাছে ভয়াবহ সব মারণাস্ত্র থাকারও তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।


এসব অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে- রকেট লঞ্চার ৫৪টি, এসএমজি ৬৪১টি, বিভিন্ন ধরনের রাইফেল ৫৯৪টি এবং হাতবোমা আছে এক হাজারেরও বেশি। এছাড়া চার শতাধিক দেশি পিস্তল ও বন্দুক এবং ৪০টি মর্টার রয়েছে।


চুক্তির ২২বছর পরও  শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

চুক্তিস্বাক্ষরকারী সংগঠন জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধি প্রিয় ওরফে সন্তু লারমা বলেছেন, আমরা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বাস্তবায়ন চাই, পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন না হলে পাহাড়ের সমস্যার সমাধান হবে না। চুক্তি স্বাক্ষরের ২২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এখনো মৌলিক বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা হয়নি, সরকার এবং চুক্তি স্বাক্ষরকারীসহ যারা বাইরে আছে তাদের ভাবতে হবে। চুক্তি বাস্তবায়ন হয়নি আমরা সেটা বলব না, কিন্তু পার্বত্য চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো যতদিন পর্যন্ত  বাস্তবায়ন না  হবে ততদিন পর্যন্ত চুক্তি বাস্তবায়ন হয়েছে আমরা এমনটা দাবি করতে পারি না। সরকারকে আন্তরিকভাবে চুক্তি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে।

সন্তু লারমা আরো বলেন, পার্বত্য এলাকায় এখন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ, এখানে কারা কি করছে, না করছে আপনারা ভালো জানেন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার  বলেছেন, ২২ বছরে চুক্তি বাস্তবায়ন করতে না পারাটা আমাদের জন্যও কষ্টের ও হতাশার। শান্তি চুক্তি পুর্ণ বাস্তবায়ন হচ্ছে না কেন, তার বিশ্লেষণও আমাদের করতে হবে। আজকে অসংযত বক্তব্যে, হুমকি, ধামকি, নৈরাজ্যমুলক আচরণ, অস্ত্রের ভাষায় কথা বলা, শান্তি চুক্ষির পক্ষের শক্তিকে দুর্বল করা, চুক্তি বিরোধীদের সাথে আতাঁত করে চুক্তি পক্ষের মানুষকে হত্যা করে। আমরা আজকে বলতে চাই আমসত্ব হয় থেকে আম হয়, কাঠাল থেকে নয়, তাই শান্তি চুক্তি যারা স্বাক্ষর করেছে তারাই চুক্তি বাস্তবায়ন করবে, শান্তি চুক্তি বিরোধীরা চুক্তি বাস্তবায়ন করবে না। আমরা দু:খের সাথে লক্ষ্য করছি চুক্তি বিরোধী বিএনপি ও ইউপিডিএফের সাথে তারা আতাঁত করছে। অথচ শান্তি চুক্তি স্বপক্ষের শক্তির মধ্যে ভালো সর্ম্পক থাকার কথা, যদি ভালো সর্ম্পক না থাকে তাহলে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন করাটা কঠিন।

তিনি আরো বলেন, শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হলে একটা পরিবেশ দরকার, পরস্পরের প্রতি বিশ^াস, আস্থা দরকার, আমরা পরিবেশটা সৃষ্টি করলে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হবে না, নচেৎ বার বার চুক্তি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াকে বিঘিœত হবে, যেটি কারো জন্য মঙ্গলজনক হবে না।

চুক্তির বর্ষপুর্তিতে এক প্রতিক্রিয়ায় চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায় বলেছেন, ২২ বছর একটা দীর্ঘ সময়, সরকার এবং আঞ্চলিক পরিষদ আন্তরিক হলে চুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব। তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে বিশ^াস রেখে জেএসএসের নেতা কর্মীরা গেরিলা জীবন ছেড়ে শান্তির প্রত্যাশায় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি আরেকটু আন্তরিক হন এবং সুনজর দেন এবং প্রশাসন নিরপেক্ষ ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে তাহলে পার্বত্য এলাকায় কোন সমস্যা থাকবে না এবং চুক্তি বাস্তবায়নও হবে।

চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায় আরো বলেন শান্তি চুক্তির পর অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা, কিছু প্রতিষ্ঠান হওয়া এসব ছাড়া চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। অংকে কষে চুক্তির বাস্তবায়নের হিসাব করা যায় না, জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদ কার্যকর এবং এগুলোর নির্বাচন হয়নি। ভারত প্রত্যাগত শরণার্থীদের একটি পরিবারও পুর্নবাসন হয়নি, এসব পরিবার মানবেতর দিন যাপন করছে।

জনসংহতি সমিতির সহ সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার বলেছেন, সরকার চুক্তি বাস্তবায়ন একদম করেনি সেটি বলব না, কিন্তু  চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করেনি, এখনো ভুমি কমিশনের বিধিমালা তৈরি করা হয়নি,  সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়নি। চুক্তি অনুযায়ী আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ আইন কার্যকরা হয়নি। চুক্তি অনুযায়ী তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে  গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আইন-শৃঙ্খলা, পুলিশ (স্থানীয়)  ও ভূমি ব্যবস্থাপনা হস্তান্তর করা হয়নি। পাহাড়ে বর্তমানে অস্থিরতা বিরাজ করছে, গ্রামে মানুষ থাকতে পারছে না।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটির আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম মুন্না, শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে অশান্তির বীজ বপন করা হয়েছে, একটি গ্রুপ আত্বসমর্পন করলেও এখন ৪টি গ্রুপ পাহাড়ে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি চালাচ্ছে। চুক্তির মাধ্যমে বাঙালীদের অউপজাতীয় বানানো হয়েছে, বাঙালীদের সকল অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তিনি সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক চুক্তির ধারা সমূহ বাতিলের দাবি জানান।

এদিকে সোমবার পালিত হবে পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২২ বছরপূর্তি। এ উপলক্ষে সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিসহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন মহলের উদ্যোগে রাজধানী ঢাকা ও তিন পার্বত্য জেলাসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। রাঙামাটিতে জনসংহতি সমিতির উদ্যোগে সকালে  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। একই সময় জেলা পরিষদের উদ্যেগে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী ইনষ্টিটিউটে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এবং রাঙামাটি রিজিয়নের উদ্যেগে সন্ধ্যায় রাঙামাটি ষ্টেডিয়ামে সম্প্রীতির কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। বিকালে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।




পাহাড়ের রাজনীতি |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions