সোমবার | ১৪ অক্টোবর, ২০১৯
বান্দরবানে

কথিত মানবাধিকার কর্মী এইছ এম মহিবুল্লাহ’র বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর অভিযোগ

প্রকাশঃ ১৯ জুন, ২০১৯ ০২:২৭:২০ | আপডেটঃ ১৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৭:০২:১২  |  ২৬৯
সিএইচটি টুডে ডট কম, বান্দরবান। কখনও সাংবাদিক,কখনও বা মানবাধিকার কর্মী, কখনও লাইফ ইন্সুরেন্স এর কর্মী।অনেক গুনের অধিকারী বান্দরবানে কথিত মানবাধিকার কর্মী এইছ এম মহিবুল্লাহ চৌধুরী। এবার  এই গুনধর ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর অভিযোগে দায়ের করেছেন এক বৌদ্ধ ভান্তে।

জানা গেছে, ওয়ার্ল্ড হিউম্যানিটি কমিশন (ডাব্লিউএইচসি) বান্দরবান জেলার সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক কল্যান ফাউন্ডেশন (জেএসকেএফ) এর কোষাধ্যক্ষ এইছ এম মহিবুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদাবাজীর অভিযোগে বান্দরবান শহরের এক বৌদ্ধ ধর্মীয় ভান্তে এই ব্যাপারে সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে , বান্দরবান পৌরসভার রোয়াংছড়ি বাসস্টেশন এলাকার ভান্তে কদঞেঞ থের এই অভিযোগ প্রদান করেন। অভিযোগে তিনি জানান, গত ২১ মে মাহ্লা উ চৌধুরীসহ আরো দুইজন বান্দরবান শহরের পাসপোর্ট অফিস না চেনার কারনে পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার জন্য আমার সহযোগিতা কামনা করে। আমি তাদের পাসপোর্ট অফিসে নিয়ে কাজ শেষে শহরের বনফুল ফাস্ট ফুড দোকানে নাস্তা খাওয়ার সময় বিবাদী আমাদের কয়েকটি ছবি তুলে। কৌশলে আমার ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে চাঁদা দাবী করে। এই সময় সে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলেন, আপনি নারী পাচারকারী। আমাকে দেড় লক্ষ টাকা না দিলে আমি ফেসবুকে আপলোড করে দিবে, আমি ডিজিএফআই এর লোক।

গত ১৬ ও ১৮ জুন ০১৮৪০০৭৫৫১১ এই নাম্বার থেকে মাহবুব পরিচয় দিয়ে আমার কাছ থেকে টাকা দাবী করলে আমি টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করার কারনে আমাকে অশ্লিল ভাষায় গালাগাল ও হত্যার হুমকি প্রদান করেন। এই ব্যাপারে কদঞেঞ থের ভান্তে বলেন, চাঁদা দিতে না পারার কারনে সে আমাকে  দফায় দফায় প্রাননাশের হুমকি প্রদান করে।

এদিকে অভিযোগ পাওয়ার পর বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত নাম্বারে ফোন করে নিশ্চিত হন নাম্বারটি কথিত মানবাধিকার কর্মী এইছ এম মহিবুল্লাহ চৌধুরী’র।

এই ব্যাপারে অভিযুক্ত এইছ এম মহিবুল্লাহ চৌধুরী বলেন, কয়েকবছর আগে আমি সাংবাদিকতা করেছি, এখন মানবাধিকার কর্মী হিসাবে সবাই আমাকে চেনে।

এই ব্যাপারে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো:শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে নাম্বার থেকে ফোন করে চাঁদাবাদী করেছে সে কে, ঘটনা তদন্ত্র সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত,এইছ এম মহিবুল্লাহ চৌধুরী চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বাসিন্দা। বেশ কয়েক বছর বান্দরবানের লামা উপজেলায় বসবাস করলেও গত কয়েকবছর ধরে বান্দরবান জেলা শহরের বনরুপা পাড়ায় বসবাস করে মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দিয়ে তিনি চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ড সংগঠিত করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে এই এইছ এম মহিবুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ।



বান্দরবান |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions