মঙ্গলবার | ১৬ জুলাই, ২০১৯
খাগড়াছড়িতে ভারতীয় হাই কমিশনারের পরিদর্শন

পাহাড়ের অর্থনীতিতে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখবে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ : রিভা গাঙ্গুলী দাস

প্রকাশঃ ১৬ জুন, ২০১৯ ০৫:০৩:১৮ | আপডেটঃ ১৬ জুলাই, ২০১৯ ০৫:২৩:৫৮  |  ১৩৬১
সিএইচটি টুডে ডট কম, খাগড়াছড়ি। খাগড়াছড়ির রামগড়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে মৈত্রী সেতু ১ ও রামগড় স্থলবন্দর নির্মাণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস। রোববার বেলা ১১টায় রামগড়ের ফেণী নদীর উপর নির্মাণাধীন ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন। মৈত্রী সেতু-১ ও স্থলবন্দর নির্মাণ কার্যক্রমের কাজে সন্তোষ জানিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভারতের হাই কমিশনার।

ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতু ১ চালু হলে পাহাড়ের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি হবে।  ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যসহ অন্যান্য রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগ ও ব্যবসায়িক সর্ম্পক আরও বেশী সহজ হবে। চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বন্দর ব্যবহার করে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা কম সময় ও ব্যয়ে আমদানী রপ্তানী করে উপকৃত হবে। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো: শহিদুল ইসলাম বলেন, রামগড়ের স্থলবন্দর চালু হলে রামগড় ও আশপাশের বেকার সমস্যা দূর হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু ব্যবহার করে সেভেন সিস্টার খ্যাত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে পর্যটকদের যোগাযোগও সহজ হবে। ভারত সরকারের সহযোগীতায় ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে মৈত্রী সেতুর কাজ শেষ হওয়ার পরপর স্থলবন্দর ও অন্যান্য কার্যক্রম শুরু হবে।  

এসময় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম সালাহউদ্দিন, রামগড় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ^ প্রদীপ কার্বারী অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতু ১ এর কাজ শুরু হয়। আগামী বছরের এপ্রিল মাসে শেষ হবে মৈত্রী সেতু ১ এর নির্মাণ কাজ।

খাগড়াছড়ি |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions