বুধবার | ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

কাল রাঙামাটির ফুরোমোন পাহাড়ে অভিযাত্রা

প্রকাশঃ ২৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০৯:৫১:১২ | আপডেটঃ ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০১:৪৩:১৯  |  ২৬৩
সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। সাজেকের পর এবারের আবিস্কার রাঙামাটির ফুরোমোন পাহাড়। সাজেকের পরিচিতি এরই মধ্যে ব্যাপক আকারে লাভ করেছে। এর অবস্থান রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ভারতের মিজোরাম সীমান্তবর্তী এলাকায়। আর ফুরোমোন পাহাড়ের অবস্থান রাঙামাটি সদরের সাপছড়ি ইউনিয়নে- পর্যটনে যার সম্ভাবনা বিপুল।

রাঙামাটি-চট্টগ্রাম প্রধান সড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত আসা-যাওয়ার পথে সবার দৃষ্টি কাড়ে ফুরোমোন পাহাড়। এর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫১৮ ফুট। পাহাড়ের চূড়া থেকে দেখা মেলে পূর্বে রাঙ্গামাটির বিশাল জলরাশি কাপ্তাই হ্রদ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে চট্টগ্রাম জেলা। এই ফুরোমোন পাহাড়ের পরিচিতি তুলে ধরতে এবং পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করতে নেয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। ফুরোমোন পাহাড়ে অভিযাত্রা দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে, উদ্যোগটির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া। এমনটা জানান, উদ্যোক্তারা।

‘ফুরোমোন ট্রেকিং অ্যাক্সপিডিশন’ শীর্ষক অভিযাত্রার বিষয়ে বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান উদ্যোক্তা সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা। রাঙামাটির পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান কার্যালয় ভবনের ‘কর্ণফুলি’ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অ্যাডভেঞ্চার কার্যক্রমকে জনপ্রিয় করার লক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব ও রাঙ্গামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার  উদ্যোগে ফুরোমোন ট্রেকিং অ্যাক্সপিডিশন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সম্ভাব্য পর্যটন খাতের প্রচার ও প্রসার, পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি ও প্রকৃতির সংরক্ষণ ও উন্নয়নে বড় ক্ষেত্র তৈরি হবে।
অভিযাত্রা শুরু হবে আজ (শুক্রবার) সকাল ৮টায়। সাপছড়ি উচ্চবিদ্যালয় হতে অভিযাত্রা শুরু হবে। এতে অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণী, পেশা ও বয়সের ৩৩ অভিযাত্রী। যাতে থাকবেন তিন পার্বত্য জেলা হতে ৭ জন করে ২১ জন এবং বাংলাদেশের অন্য জেলা হতে ১২ জন। ভ্রমণকারী অভিযাত্রীরা স্থানীয়দের সঙ্গে দর্শন ও মতবিনিময়ে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যরে বন্ধন দৃঢ় হয়ে সম্ভাবনাময় গন্তব্য ফুরোমোন পাহাড় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নববিক্রম কিশোর ত্রিপুরা, ভাইস চেয়ারম্যান তরুণ কান্তি ঘোষ, সদস্য (পরিকল্পনা) ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নজরুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ান-উল ইসলাম, বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা মশিউর খন্দকার ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজমসহ অন্যরা।

স্পোর্টস |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions