মঙ্গলবার | ২০ নভেম্বর, ২০১৮

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তাবাহিনী সর্তক রয়েছে : জিওসি

প্রকাশঃ ২২ অক্টোবর, ২০১৮ ০৬:২৩:১৫ | আপডেটঃ ২০ নভেম্বর, ২০১৮ ০৭:৫৩:৫৭  |  ৭১০
সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। চট্টগ্রাম ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এসএম মতিউর রহমান বলেছেন, ১৯৯৭ সনের ২রা ডিসেম্বর সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য শান্তি চুক্তি করেছিল, এটা ছিল সরকারের প্রজ্ঞার পরিচয়,  শান্তি চুক্তির মাধ্যমে সরকার পাহাড়ে শান্তি সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে চেয়েছিল, কিন্তু  চুক্তির পরের বছরই ১৯৯৮ সনে একটি পক্ষ চুক্তির বিরোধীতা করে শান্তির পরিবর্তে পাহাড়ে অশান্তি ছিটিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। আমাদের সবার চোখ কান খোলা রাখা উচিত যাতে শান্তি বিনষ্টকারী ও অবৈধ অস্ত্রধারীরা শান্তি বিনষ্ট করতে না পারে। কারণ আমরা বেশীর ভাগ মানুষ আমরা সুখ চাই, শান্তি চাই, সমৃদ্ধি চাই ও সম্প্রীতি চাই, আমরা যদি সজাগ থাকি অল্প সংখ্যক দুস্কৃতিকারী কখনো সফল হবে না।

তিনি আজ রাঙামাটির দুর্গম  বিলাইছড়ির পাংখোয়া পাড়া ট্রাইবেল ভিলেজ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব আমাদের ভৌগলিক অখন্ডতাকে যদি কেউ খাটো করতে চায় বা কোনভাবে চেষ্টা করে তাহলে বাংলাদেশের নিরাপত্তাবাহিনী বরদাশত করবে না। শান্তি চুক্তির গভীরতা আমরা অনুভব করি, শান্তিচুক্তিকে আমরা এগিয়ে নিতে চাই আমরা সংযম প্রদর্শন করতে চাই, কিন্তু কখনো আমাদের ভুখন্ডতার বিনিময়ে না।
 
প্রথমে ২৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এসএম মতিউর রহমান সেনাবাহিনীর অর্থায়নে ‘পাংখোয়া ট্রাইবাল ভিলেজ’ নামে পাংখোয়াপাড়ার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে নির্মিত বিনোদন স্পট ও প্রদর্শনী কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন । পরে পাংখোয়া জনগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। এরপর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হেডম্যাান, কারবারি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

এ সময় রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রেয়াদ মেহমুদ, বিলাইছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ আবদুল্ল্যাহ, সেকেন্ড ইন কমান্ড মেজর আরিফ উজ্জামান, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রবীন্দ্র লাল চাকমা, জেলা পরিষদ সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান শুভমঙ্গল চাকমা, স্থানীয় হেডম্যান এংলিয়ানা পাংখোয়াসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় চট্টগ্রামের জিওসি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সেনাবাহিনী সব সময় আন্তরিক এবং সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এখানে শান্তি-সম্প্রীতি বিনষ্টকারী কেউ পার পাবে না। যে কোনো সন্ত্রাস কঠোর হস্তে দমন করা হবে।




তিনি পাংখোয়াপাড়ার জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক উন্নয়নে ৬ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।
 
রাঙামাটি |  আরও খবর
এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions