শুক্রবার | ১৬ নভেম্বর, ২০১৮
পাওয়ানা টাকা চাওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা

মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন লংগদুর যুবলীগ নেতা আবুল কালাম

প্রকাশঃ ১৯ অগাস্ট, ২০১৮ ০৫:৫২:৩৪ | আপডেটঃ ১৬ নভেম্বর, ২০১৮ ০৯:৩৫:০০  |  ৬৭৯
সিএইচটি টুডে ডট কম, রাঙামাটি। দোকানের বাকি টাকা চাওয়ায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন, রাঙামাটির লংগদুর এক কীটনাশক ওষুধের ব্যবসায়ী ও যুবলীগ নেতা আবুল কালাম। তিনি লংগদু উপজেলার বগাচতর ইউনিয়নের রাঙ্গীপাড়ার বাসিন্দা আবদুল হালিমের ছেলে। গত ১২ আগষ্ট ঘটনাটি ঘটে। হামলার শিকার আবুল কালামকে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে লংগদু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে সেখান থেকে ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নেয়া হয়।    বর্তমানে সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি।

এ ঘটনায় লংগদু থানায় মামলা হয়েছে। মামলার ৪ আসামির মধ্যে মনসুর চৌধুরীর ছেলে রাকিব চৌধুরীকে গ্রেফতার করে আদালতে চালান দিয়েছে পুলিশ। গত রোববার রাঙামাটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার এসব বর্ণনা ও অভিযোগের তথ্য তুলে ধরেন আবুল কালামের স্ত্রী ফাতেমা আক্তারসহ স্বজনরা।  
বেলা ২টায় রাঙামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বিবরণ দেন, হামলার শিকার আবুল কালামের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার। এ সময় মামলার বাদী ও আবুল কালামের ভাই আবুল বাশারসহ অন্য স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করে বলা হয়, আবুল কালাম ওই এলাকার একজন সার ও কীটনাশক ওষুধের ব্যবসায়ী। হামলাকারীদের মধ্যে কামাল হোসেন থেকে দোকানের বাকি ৫০ হাজার টাকা পেতেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় তার কাছ থেকে পাওনা টাকা চেয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে অপর আসামি মেহেদী হাসান বাবু (২২), রাকিব চৌধুরী (২০) ও মনির হোসেন (৩৪) লোহার রড, লাঠিসোটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হাজির হয়ে চার আসামি মিলে অতর্কিত হামলা করে আবুল কালামকে গুরুতর আহত করে এবং দোকানের নগদ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। পরে এলাকার লোকজন আবুল কালামকে উদ্ধার করে লংগদু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন এলাকার লোকজন। এ ঘটনায় বাদী হয়ে হামলাকারী চারজনকে আসামি করে লংগদু থানায় মামলা দেন, আবুল কালামের ভাই আবুল বাশার। সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে বাকি তিন আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আসামিদের কাছ থেকে বাকি ৫০ হাজারসহ লুট করা টাকা উদ্ধার করে দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রঞ্জন সামন্ত বলেন, চার আসামির মধ্যে রাকিব চৌধুরীকে গ্রেফতার করে রাঙামাটির আদালতে চালান দেয়া হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে পুলিশি তৎপরতা চলছে। লুট করা টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

এইমাত্র পাওয়া
আর্কাইভ
সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত, ২০১৭-২০১৮।    Design & developed by: Ribeng IT Solutions